CJP-এর সংসদ অভিযানে পুলিশের লাঠিচার্জ! মোদির ক্ষমা চাইল কংগ্রেস, হিটলারি শাসন বলছে বিরোধীরা!

July 21, 2026
Reading...
'ককরোচ জনতা পার্টি' বা CJP Protest-এ পুলিশি লাঠিচার্জের কড়া নিন্দা করল কংগ্রেস। রাহুল গান্ধি, অখিলেশ যাদব থেকে শুরু করে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি— মোদি সরকারে
'ককরোচ জনতা পার্টি' বা সিজেপি (CJP Protest)-এর সংসদ ঘেরাও কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশি লাঠিচার্জের কড়া সমালোচনা করল কংগ্রেস (Congress)। সোমবার ঘটে যাওয়া এই অনভিপ্রেত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি (Rahul Gandhi)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া প্রয়োজন (Apology) বলে সরব হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের এই অকথ্য অত্যাচারকে অত্যন্ত লজ্জাজনক ও 'অভারতীয়' আখ্যা দিয়ে তোপ দাগেন রাহুল।

গতকালের এই বিতর্কিত ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর নিশ্চুপ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল। তিনি মন্তব্য করেন যে, যেভাবে সাধারণ মানুষকে মারধর করা হয়েছে, তা কখনোই ভারতীয় সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না, অথচ এর জন্য মোদি কোনো দুঃখপ্রকাশ করেননি। পড়ুয়াদের শিক্ষাব্যবস্থা সংক্রান্ত সমস্যাগুলো তুলে ধরে বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, এই উদ্বেগগুলো নিছক শিক্ষার গণ্ডিতে আবদ্ধ নেই, তা আরও ব্যাপক। তাঁর মতে, দেশের পরীক্ষাব্যবস্থা বর্তমানে 'অস্তিত্বহীন' হয়ে পড়েছে, ফলে ছাত্রছাত্রীদের এই দাবি সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত। তিনি আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রী নীরব কেন? এর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে? পড়ুয়াদের কাছে তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত এবং এই ধরনের নিন্দনীয় পদক্ষেপ (লাঠিচার্জ) অবিলম্বে বন্ধ করা দরকার।"

রাহুল গান্ধি ছাড়াও এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব, আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধি। গোটা পরিস্থিতিকে হিটলারের রাজত্বের সাথে তুলনা করে অখিলেশ জানিয়েছেন, নিজস্ব বাহিনী প্রয়োগ করে দেশের যুবসমাজের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। অন্যদিকে, বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা ঘটলেও কেন সরকার নির্বিকার, সেই প্রশ্ন তুলেছেন প্রিয়াঙ্কা।

এদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন আহত আন্দোলনকারীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। জানা গিয়েছে, রাহুল গান্ধি এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালও এদিন আহত বিক্ষোভকারীদের দেখতে হাসপাতালে পৌঁছান।
Advertisement