পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ আগামী ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ রুটিন (Madhyamik Exam Routine 2027) প্রকাশ করেছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা!
জানা গিয়েছে, প্রত্যেকদিন কেবল একটি বিষয়েরই পরীক্ষা নেওয়া হবে। উত্তর লেখা শুরুর আগে পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য ১৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। অর্থাৎ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হাতে প্রশ্নপত্র মিলবে এবং তা পড়ার জন্য ১১টা পর্যন্ত সুযোগ পাওয়া যাবে। এরপরই শুরু হবে উত্তর লেখার কাজ। অধিকাংশ বিষয়ের পরীক্ষাই দুপুর ২টো পর্যন্ত চলবে।
পর্ষদ প্রকাশিত রুটিন (Madhyamik Routine 2027) অনুযায়ী, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম ভাষা ও ১৬ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ভাষার পরীক্ষা নেওয়া হবে। এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারি ইতিহাস, ১৯ ফেব্রুয়ারি ভূগোল, ২২ ফেব্রুয়ারি অঙ্ক, ২৩ ফেব্রুয়ারি ভৌত বিজ্ঞান এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি জীবন বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা নির্ধারিত হয়েছে। সবশেষে ২৫ ফেব্রুয়ারি হবে ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা।
তবে ঐচ্ছিক বিষয়ের ক্ষেত্রে পরীক্ষার সময়সূচি বিষয়ভিত্তিক আলাদা রাখা হয়েছে। সেলাই ও সূচিশিল্পের পরীক্ষা সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৩টে পর্যন্ত। অন্যদিকে, ভোকাল ও বাদ্যযন্ত্র বা সঙ্গীত বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হবে দুপুর ১টায়। এছাড়া কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন পরীক্ষা দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এবং বৃত্তিমূলক বিষয়ের পরীক্ষাগুলি দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটেই শেষ হয়ে যাবে। অন্যান্য ঐচ্ছিক পরীক্ষাগুলি দুপুর ২টো পর্যন্ত চলবে বলে জানা গিয়েছে।
এদিন পর্ষদ আরও জানিয়েছে যে, কর্মশিক্ষা, শারীরশিক্ষা ও সমাজসেবা বিষয়ের পরীক্ষার দিনক্ষণ পরবর্তীতে আলাদা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে, বিশেষ প্রয়োজনে পরীক্ষার এই রুটিন বা সময়সূচিতে বদল আনা হতে পারে বলেও পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি ২০২৬ সালের মাধ্যমিকের রেজাল্ট গত ৮ মে প্রকাশিত হয়। এই বছর পাসের হার ছিল ৮৬.৮৩ শতাংশ, যা গত ২০২৫ সালের (৮৬.৫৩ শতাংশ) তুলনায় সামান্য বেশি। লক্ষণীয় বিষয় হল, পাসের হারের নিরিখে দক্ষিণবঙ্গকে পিছনে ফেলে এবার বাজিমাত করেছে উত্তরবঙ্গ। ৯৫.১০ শতাংশ পাসের হার নিয়ে গোটা রাজ্যের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে কালিম্পং জেলা। এরপর ৯৪.৮২ শতাংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে পূর্ব মেদিনীপুর। ৯২.৩১ শতাংশ পাসের হার নিয়ে কলকাতা রয়েছে তৃতীয় স্থানে। তবে সামগ্রিক পাসের হারে কলকাতা তৃতীয় হলেও, এ বছরের মেধা তালিকায় প্রথম দশে থাকা ১৩১ জন সেরা ছাত্রছাত্রীর মধ্যে কলকাতার কোনও পড়ুয়া জায়গা করে নিতে পারেনি।
Advertisement