দিল্লির চলন্ত স্লিপার বাসে ১৬ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। কাশ্মীরি গেটের কাছে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধারের পর গ্রেপ্তার অভিযুক্ত...

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা ১৬ বছরের কিশোরী উত্তরপ্রদেশের মৈনপুরী জেলার বাসিন্দা। সে পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে নয়ডা সেক্টর ৬৩-তে তার তুতো দাদার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। তবে প্রবল বৃষ্টি এবং অন্ধকারের দরুন সে পথ ভুল করে গ্রেটার নয়ডার পরী চকে গিয়ে পৌঁছায়। সেখানে বাড়ি ফেরার জন্য একটি খালি স্লিপার বাসে লিফট চায় ওই কিশোরী। চালক ও কন্ডাক্টর তাকে নয়ডা সেক্টর ৬৩-তে পৌঁছে দেবে বলে বাসে তুলে নেয়।
অভিযোগ উঠেছে, কিছুদূর যাওয়ার পরেই বাসের কন্ডাক্টর মেয়েটিকে উত্যক্ত করতে শুরু করে। পরবর্তীতে তাকে খুনের হুমকি দিয়ে চালক ও কন্ডাক্টর উভয়ই চলন্ত বাসে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর গভীর রাতে কাশ্মীরি গেটের কাছে রিং রোডে কিশোরীকে ফেলে রেখে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। সেখান থেকে সোজা কাশ্মীরি গেট থানায় পৌঁছে অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতা। অভিযোগ মেলামাত্রই তদন্ত শুরু করে উত্তর দিল্লির তিমারপুর বাস পার্কিং এলাকা থেকে অভিযুক্ত দু’জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
ডিএসসি (উত্তর) নিহারিকা ভাট জানিয়েছেন, স্লিপার বাসটিতে পর্দা টানা থাকায় বাইরে থেকে ভেতরের ঘটনা দেখা সম্ভব হয়নি। পরী চক থেকে কাশ্মীরি গেট পর্যন্ত প্রায় ৪৭ কিলোমিটার পথজুড়ে এই অপরাধ চালানো হয়। জানা গিয়েছে, সুরজপুরের একটি ওয়ার্কশপ থেকে বাসটি সারিয়ে তিমারপুরের দিকে ফেরানো হচ্ছিল। বাজেয়াপ্ত করা বাসটিকে বর্তমানে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার পুরো তদন্তপ্রক্রিয়া জারি রয়েছে।
Advertisement