CSAM, ডিপফেক কনটেন্ট ও প্ল্যাটফর্মের ত্রুটির জন্য ক্ষমা চাইলেন মেটা সিইও মার্ক জুকারবার্গ। কেন্দ্র-মেটা বৈঠক ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত নির্দেশাবলি নিয়ে
এই পরিস্থিতির আবহেই বুধবার দুপুরে মেটার গ্লোবাল পাবলিক পলিসি প্রধান জোয়েল কপলান (Joel Kaplan) কেন্দ্রীয় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রকে যান এবং সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা কপলানকে একাধিক প্রশ্ন করলেও তিনি এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন।
পরবর্তীকালে এদিন অর্থাৎ বুধবার বিকেল ৪টে নাগাদ সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা যায়, মেটা প্ল্যাটফর্মের নানা ত্রুটি, CSAM এবং ডিপফেক কনটেন্টের উপস্থিতির জন্য সরাসরি ক্ষমা চেয়েছেন মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গ। তবে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও মুছে ফেলার ঘটনায় সংসদীয় কমিটি যে ক্ষমাপ্রার্থনার দাবি জানিয়েছিল, নির্দিষ্টভাবে সে বিষয়ে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
Mark Zuckerberg sent his apologies for the CSAM (Child Sexual Abuse Material) content, deepfake content and errors in operating the platform.
— ANI (@ANI) August 5, 2026
It was made clear to them that they are not covered under Intermediary definition. They select who receives the content. Safe harbour… https://t.co/kfIcMNdclk pic.twitter.com/CrwfQrsN1V
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকারের ওই সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, এই ধরনের স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে মেটা কেবল 'ইন্টারমিডিয়ারি' (Intermediary) বা সাধারণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পার পেতে পারে না বলে জুকারবার্গকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। কারণ, কোনও ব্যবহারকারী তাঁর স্ক্রিনে কী ধরনের কনটেন্ট দেখবেন, তা অ্যালগরিদমের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্ম নিজেই নির্ধারণ করে থাকে।
কেন্দ্রের ওই সূত্র আরও প্রকাশ করেছে যে, প্রচুর টাকা খরচ করে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে CSAM কনটেন্ট বুস্ট ও প্রচার করার বিষয়টি মেটার তরফে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। টাকা ঢেলে এ জাতীয় আপত্তিকর উপাদান প্রচারের সুযোগ থাকার জন্য মেটা ভুল স্বীকার করে ক্ষমাও চেয়েছে।
এদিকে, মেটার গ্লোবাল পাবলিক পলিসি প্রধান জোয়েল কপলানের সঙ্গে সংস্থাটির আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিক মন্ত্রকের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকে ঠিক কী বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে কিংবা কনটেন্ট মডারেশন নিয়ে সোশাল মিডিয়া জায়ান্টটির চূড়ান্ত অবস্থান কী, তা নিয়ে প্রতিনিধি দলের কেউই সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খোলেননি।
তবে একটি সূত্রের খবর, এই বৈঠকে কেবল CSAM বা ডিপফেক কন্টেন্টই নয়, বরং হোয়াটসঅ্যাপের (WhatsApp) প্রস্তাবিত ইউজারনেম ফিচার এবং ইনস্টাগ্রাম (Instagram)-এর নানা কারিগরি দিক নিয়েও দু'পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
Advertisement